Posts

रामनगर रामलीला के रघुनाथ दत्त व्यास

Image
नही रहे रामनगर रामलीला के रघुनाथ दत्त व्यास रामनगर की रामलीला : पंडित रघुनाथ दत्त व्यास जी रामलीला में पंच स्वरूप को भगवान रूप मे एकीकृत करते थे। इनका अनुपम कार्य देखने में सरल लगता है पर बहुत ही कठिन होता हैं ।  व्यास परिवार का कहना है कि सात पीढ़ियों से इनके परिवार के लोग लीला कार्य में लगे है।  महाराज काशी नरेश इनके पूर्वजों को रामनगर रामलीला करवाने के हेतु गुजरात से काशी रामनगर ले आएं।  भगवान की अनुकम्पा से व्यास जी ९० साल की आयु से अधिक होने के बाद भी रामलीला में स्वरूपों का सवांद और उनकी साज सज्जा कार्य स्वयं  देखते थे। यह राम जी के ही कृपा प्रसाद से संभव हो रहा था। महान व्यक्तित्व के धनी, अपार ज्ञान के रुप ऐसे श्री रघुनाथ दत्त यानी व्यास जी द्वारा  लीला के प्रति किया गया योगदान सभी रामलीला प्रेमी कभी विस्मृत नहीं कर सकेंगे।  उनका पंचतत्व में विलीन होने से रामनगर वासी शोक संतप्त हैं। उनका रामलीला में न होना लीला को प्रभावित अवश्य करेगा।  प्रभु उनको अपने चरणों में स्थान प्रदान करे। उनकी आत्मा साकेत वासी हो ऐसी प्रार्थना हम ...

কাশীর বাঙালী টোলার দ্বীতিয় পাতালেশ্বর

Image
কাশীর বাঙালী টোলা অঞ্চলের দ্বীতিয় পাতলেশ্বর মন্দির শিবের প্রতিটি রূপই যে নগরে পূজিত সে হল কাশী। আর এই কাশীর বাঙালী টোলার প্রতিটি বাড়িই একটি করে দেবালয়। মহাদেব তাই নিজেকে এই নগরের প্রেমে আবদ্ধ। বাঙালী টোলার পাতালেশ্বর মন্দির বলতেই, যে মন্দিরের কথা মনে পড়ে সে হল চৌষট্টি যোগিনী মন্দিরের কাছেই। মহাদেব সেই মন্দিরের গভীরে প্রতিষ্ঠিত। আজ আমরা চলেছি আর এক পাতালেশ্বর মন্দিরের দিকে। এই মন্দিরটি পাণ্ডে হওয়েলি অঞ্চলের ওরিয়েন্টাল হাই স্কুলের সামনে যে দুর্গা চরণ রক্ষিত লেন সেই স্থানে অবস্থিত। উইকিপিডিয়া থেকে জানা যায় -  দুর্গাচরণ রক্ষিত (২৯শে সেপ্টেম্বর, ১৮৪১ — ২৭শে আগস্ট, ১৮৯৮) সর্বোচ্চ ফরাসী পুরস্কার - 'লেজিয়ঁ দ্য অনার' এ ভূষিত প্রথম ভারতীয় বাঙালী উদ্যোগপতি। শেষ জীবনে রক্ষিত মহাশয় কাশিবাস করেন। তাঁর নামেই দুর্গাচরণ গার্লস ইন্টার কলেজ ১৯২৪ এ প্রতিষ্ঠিত হয়।  দুর্গাচরণ রক্ষিত মাত্র ৫৬ বৎসর বয়সে ১৮৯৬ খ্রীস্টাব্দের ২৭শে আগস্ট বসন্তরোগের কারণে পরলোক গমন করেন। ফরাসী সরকার তাঁর পারলৌকিক ক্রিয়াতেও রাজকীয় সম্মান প্রদর্শন করে।

The Silent Artist

Image
সুখবর জন্য লেখা মূকতারা নিরঞ্জন জয়দেব দাস, কাশী Hoichoi তে the silent artist নামক তথ্যচিত্র এক মাস আগে এলেও, আজ অব্দি সে সাইলেন্ট বজায় রেখেছে। মানে দর্শকের কোন প্রতিক্রিয়া নেই, নেই কোনো সংবাদ! থাকবেই বা কেন? এ তো কোন জনপ্রিয় তারকার সিনেমা নয়; এ এক তারার হলেও সে মূকতারা। মূক শিল্পী। শিল্পি পদ্মশ্রী নিরঞ্জন গোস্বামী। মূকাভিনয়, যাকে আমরা জানি, দেখে ফিরেছি আমাদের এই বাংলায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার প্রচলন খুব বেশী দিনের নয়। পঞ্চাশের দশকের শেষ পাদে বা ছয়ের দশকের আরম্ভে এই শিল্প গুটি গুটি পায়ে চলতে শুরু করেছে। পাশ্চাত্য প্রভাবে। কিছু প্রতিভাবান শিল্পী তাকে প্রাণ দেন। নতুন এক শিল্প চর্চার সূত্রপাত। ভারত উপমহাদেশে মূকাভিনয়ের পথিকৃৎ পশ্চিমবঙ্গ। শ্যামমোহন চক্রবর্তী, যোগেশ দত্ত, অরুণাভ মজুমদার ছিলেন এই পথ চলার যথার্থ কান্ডারী। এই কান্ডারীর মধ্যে এক নাম যোগ করা যায় শ্রী নিরঞ্জন গোস্বামী। 10th জুন ott প্লাটফর্মে রিলিজ করা হয় ‘দ সাইলেন্ট আর্টিস্ট’ তথ্যচিত্র। এক ঘণ্টার তথ্যচিত্র মুকাভিনেতা শ্রী নিরোঞ্জন গোস্বামী কে ঘিরে। এক সাধারণ কিশোরের মাইমের মত অজনপ্রিয় শিল্পের প্রতি ভালবাসা আর ত...

ভারতীয় ক্রিকেটে কাশীর অবদান

Image
অবশেষে স্বপ্নপূরণ। অবশেষে আবারও একটা বিশ্বকাপ এল ভারতের ঘরে।রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে রক্তচাপ বাড়িয়ে বার্বেডোজে ভারতের পতাকা ওড়াল রোহিত শর্মার দল। সাত রানে জিতে ২০০৭ সালের পরে আবারও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘরে তুলল ভারত। সে বার মহেন্দ্র সিংহ ধোনির হাত ধরে ট্রফি এসেছিল। এ বার ট্রফি উঠল রোহিত শর্মার হাতে। কোটি কোটি ভারতীয় ক্রিকেটভক্তের স্বপ্নকে বাস্তবে বদলে দিল রোহিত- বাহিনী। বার্বেডোজের মাঠে লেখা হয়ে গেল এক অমর কাব্য। এই ক্রিকেট কাব্য এক দিনে লেখা হয়ে নি। লেগেছে দীর্ঘ দিন। ক্রিকেট কাব্যের ভারতীয় আদি ক্রিকেট কবিদের যদি নাম নেতে হয়, তাহলে বারানসীর মহারাজ বিজ্জি’র কথা বলতেই হয়।  লেফটেন্যান্ট কর্নেল  স্যার বিজয় আনন্দ গজপতি রাজু বিখ্যাত ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, ক্রিকেট প্রশাসক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। সর্বসমক্ষে তিনি বিজ্জি কিংবা বিজিয়ানাগ্ রামের মহারাজকুমার নামে পরিচিত ছিলেন। বিজিয়ানাগ্রামের শাসনকর্তা পশুপতি বিজয় রাম গজপতি রাজুর দ্বিতীয় পুত্রসন্তান ছিলেন বিজ্জি। এ কারণেই তার পদবী মহারাজকুমার হয়েছে। ১৯২২ সালে পিতার দেহাবসানে...

तंत्रकथा 3

Image
तथागत जब बोधिसत्व नहीं बने थे, यानी देव दत्त से भी पहले; जयदेव उस काशी में विचरण करता था, जब काशी ने किसी नगर का रूप नहीं धरा था। रूप लेता भी कैसे तीन पहाड़ थे और बस एक नदी का किनारा भर था। किनारे, जहां दूर दूर तक काश वन हुआ करते थे। नदी तो गंगा ही थी पर भगीरथ कथा का प्रवचन, प्रचलन में नहीं था। नगर न होने से नर-नारी भी नहीं थे। जहां नदी में मगरमच्छ का बोलबाला था। वहीं किनारों पर बाघ का राज चलता था। जाने कब उनमें यह समझौता हो चुका था कि दिन में किनारों पर मगरमच्छ धूप सेक लेंगे और बाघ रात में नदी के पानी से अपनी प्यास बुझा लेंगे। यह नियम अब भी लागू है। पर कभी कभी किसी बाघ को या फिर मगरमच्छ को यह नियम तोड़ने का मन करता है। वो यह नहीं समझते कि जो नियम पहले से बना है वो अब प्रकृति का नियम हो गया है। उनके इस क्षणिक लालसा से प्रकृति के नियम में खलल पड़ता है और झेलना जयदेव को पढ़ता है। अल सुबह बाघ को जमीन खोदते देख मगरमच्छ ने पूछा गर्मी बहुत अधिक है तुम्हारे इस रवैए को देखकर मानना ही पड़ रहा है। बाघ ने काम जारी रखते हुए कहा - ऐसा क्यू।  मगर ने कहा - सुना है दिमाग में गर्मी लगने पर...

ভুলে যাওয়া উদ্ভাবকের স্মরণে

Image
ভুলে যাওয়া উদ্ভাবকের স্মরণে জয়দেব দাস রাধিকা নাথ সাহা নামটি এক মহান উদ্ভাবকের, কাশীর সেই বিশেষ নাগরিক যে শতাব্দী আগে স্বনির্ভর ভারতের ভিত্তি স্থাপনে বিরল ভূমিকা রেখেছিলেন। দুঃখের বিষয় উনিশ শতকের প্রথম দশকে পেটেন্ট তালিকায় ভারতের নাম নথিভুক্ত করার পরও ইতিহাসের পাতায় স্থান পায়নি। যে সময়ে এদেশে একটি ছুঁচ তৈরি করার ভাবনা স্বপ্ন সম, সেই সময়ে রাধিকানাথ সাহা দেশীয় ফাউন্টেন পেন উদ্ভাবন করেন। ২১ জুন তার জন্মদিন নিরবেই কাটিয়ে দিল দেশ।  বর্তমানে হাতে লেখার অভ্যাস ক্রমশ ক্ষয় পাচ্ছে। সঙ্গে লেখনি মানে পেনের প্রতি দুর্বলতা মানুষের থাকছে না। অথচ এক সময় বিভিন্ন ধরনের পেন সংগ্রহ কর্তাদের রেষারেষির অভাব ছিল না, কিশোর থেকে যুবক - যুবতি থেকে বৃদ্ধা সবার প্রিয় ছিল তাঁর নিজের পছন্দের পেন। সেই বিভিন্ন ধরনের পেনের মধ্যে ঝর্ণা কলম বা ফাউন্টেন পেন এমন এক বিশেষ ধরনের কলম যাতে তরল কালি বিশেষ প্রকোষ্ঠে সঞ্চিত থাকে। বিশেষ প্রকোষ্ঠটির সাথে একটি সরু পথ দিয়ে কলমের নিবটি যুক্ত থাকে এবং মাধ্যাকর্ষণ বলের প্রভাবে ওই পথ ধরে আসা কালি দিয়ে লেখা সম্ভব হয়। বিশেষ প্রকোষ্ঠটিতে সিরিঞ্জের মাধ্যমে বাইরে থেকে...

বর্তমান কি আদৌ ভারত মাতা মন্দির মনে আছে

Image
বারানসীর কড়চা  জয়দেব দাস, কাশী  কাশী, শব্দ টি কানে এলেই মনে এক ধরনের ভাব জাগে। ভক্তিভাবই সব ভাবের উর্ধে। কানে ভেসে আসে গঙ্গার কুল কুল শব্দ, ঘাটের উপর বিশাল প্রাসাদের খোপে বাসা বাধা পাখিদের কলরব, নানা ঘণ্টি, খুঞ্জুনির কিরতন। চখের সামনে সেই শহরের চিত্র-উতসব, আরতি, দেবালয়, মন্দির …। কল্পনাতেও আসে নে যে কাশীতে এমনও কোন মন্দির থাকতে পারে যেখানে কোন দেব বা দেবী নেই, নিত্য পূজা আর্চাও নেই, নেই কোন পুরহিত, নেই কোন শঙ্খ ধ্বনি অথবা ধুনি!  বারাণসী জঙ্কশন স্টেশনে নেমে যে রাস্তাটি গোদৌলিয়ার দিকে যায়, সেই পথে কিছু দুরেই মহাত্মা গান্ধী কাশী বিদ্যাপীঠ নামক এক বিশ্ববিদ্যালয় তারই প্রাঙ্গনে এই মন্দির। মন্দিরের কোন চুড়ো নেই, দেখলে মনে হয় দু’তলা বাড়ি। মন্দিরে ভাবনায় ও স্থাপনে ডক্টর শিব প্রসাদ গুপ্ত।  শিব প্রসাদ গুপ্ত একজন দূরদর্শী, জনহিতৈষী, ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন নেতা এবং মহাত্মা গান্ধী কাশী বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাতা।  অত্যন্ত ধনী শিল্পপতি এবং "জমিদার" পরিবারের হলেও, তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা এবং আর্থিক সহায়তা প্রদানের জ...